১)ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহারা নষ্ট হয়ে যাবে।
২)ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে। ৩)নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।
৫)নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।
৬)বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।
৭)আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না।
৮)খানার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে বলা হয় খানা না কি কুকুরের পেটে চলে যায়। ৯)রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই। ১০)গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।
১১)খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।
১২)গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।
১৩)মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।
১৪)পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
১৫)কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বাহির হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন সে যাত্রা বন্ধ করে দেয়, বলে আমার যাত্রা আজ শুভ হবে না।
১৬)ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।
১৭)রুমাল, ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।
১৮)হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।
১৯)হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।
২০)নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।
২১)পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম (আত্মীয়)আসবে।
২২) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
১.জিন ও জিন সাধকরা গায়েব সম্পর্কে জানতে পারে বলে বিশ্বাস করা শিরক।
২.পাখি বা বানরের মাধ্যমে ভাগ্য জানার চেষ্টা করা শিরক।
৩. রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জনগণকে সকল ক্ষমতার মালিক বলে বিশ্বাস করা শিরক।
৪.মানব রচিত বিধান ও আইন দ্বারা দেশ শাসন ও বিচার কার্য পরিচালনা করা শিরক।
৫. জিনের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য জিনকে শিরনী দান করা শিরক।
৬.ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পাথর নির্মিত আংটির প্রভাবে বিশ্বাস করা শিরক।
৭.কবরমুখী হয়ে বা কবরের পার্শ্বে নামায আদায় করা শিরক।
৮.রোগ নিরাময়ের উদ্দেশ্যে ধাতব দ্রব্য দ্বারা নির্মিত আংটি বা বালা পরিধান করা শিরক।
৯. গাভী ও তার নতুন বাচ্চার গলায় তাবিজ, জুতা ও জালের টুকরা ঝুলানো শিরক।
১০. কপালে টাকা স্পর্শ করে তা সম্মান করা শিরক।
১১ . জঙ্গলে প্রবেশের সময় জঙ্গলের মাটি ও গাছকে সালাম করা শিরক। .
১২. চোখের অশুভ দৃষ্টি থেকে সন্তানকে রক্ষার জন্য সন্তানের কপালে কালো টিপ বা দাগ দেয়া শিরক। এ কাজটি আল্লাহর উপরে ভরসার পরিপন্থী বলে তা শিরকে আসগার।
১৩. পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (ফেল) পাবে বিশ্বাস করা শিরক।
১৪. দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিলে অমঙ্গল হয় বা আর কাস্টমার হবে না অথবা প্রথম কাস্টমার কে বাকিতে দিলে পরে সব বাকি যাবে এমন মনে করলে বা বিশ্বাস করিলে শিরক হয়।
১৫.নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে সারাজীবন মেজাজ নরম থাকবে মনে করলে শিরক হয়।
১৭.জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম হবে
মনে করলে শিরক হয়।
১৮. রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই। কাটলে ক্ষতি হতে পারে মনে করলে শিরক হয়।
১৯.পীর-মুরশিদ, রাষ্ট্রীয় নেতা-নেত্রীদের ভক্তি সম্মানের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা শিরক।
২০.নাবী (সা) কে হাজির নাযির (যেখানে খুশি সেখানে উপস্থিত হতে পারেন)মনে করা শিরক।
২১.আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে শপথ করা শিরক।
২২.পাশ্চাত্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, পুজিবাদ, জাতিয়াতাবাদ,প্রগতিবাদ ধর্মনিরপেক্ষবাদ সমর্থন ও বিশ্বাস করা শিরক।
——————————————————-
১. ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।
২. ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।
৩. চোখে কোন গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের পুরুষাঙ্গ লাগাইলে সুস্থ হয়ে যাবে।
৪.ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।
৫. ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।
৬.কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল দিতে হবে।
৭. ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, ‘ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।’
৮.মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।
৯.বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।
১০.ঘরের ভিতরে প্রবেশ কৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। (অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে) তাহলে জ্বর হবে।
১১.রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।
১২.রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।
১৩. ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
১৪. ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
১৫.মহিলাদের মাসিক/period অবস্থায় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।
১৬.বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।
১৭.আঙ্গুলের ইশারায় কবর দেখালে সেই আঙ্গুল পঁচে যায়।
১৮. বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ ‘সদকা’করতে হয়।
১৯.কুকুরকে পা দিয়ে বাড়িতে গর্ত করতে দেখলে কারো মৃত্যুর আশঙ্কা আছে, এটা মনে করা।
২০.রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি গোফ ইত্যাদি কাটতে নেই।
———————————————————–